ডেঙ্গু মৌসুম
ডেঙ্গুর যে ৬ বিপদচিহ্ন দেখলে দেরি না করে হাসপাতালে যাবেন
অক্টোবরেও ডেঙ্গুর প্রকোপ কমেনি। যশোরসহ সারা দেশে প্রতিদিন হাসপাতালে রোগী ভর্তি হচ্ছেন। চিকিৎসকেরা বলছেন, বেশির ভাগ রোগী বাসায় বিশ্রাম ও পর্যাপ্ত তরল খাবারেই সেরে ওঠেন। তবে জ্বর কমে যাওয়ার পরের দুই-তিন দিন সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ; এ সময় কিছু লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে।
বিপদচিহ্নগুলো
- পেটে তীব্র ব্যথা
- বারবার বমি, কিছু খেতে না পারা
- দাঁতের মাড়ি, নাক বা অন্য কোথাও থেকে রক্তক্ষরণ; বমি বা পায়খানার সঙ্গে রক্ত
- অস্বাভাবিক দুর্বলতা, অস্থিরতা বা ঝিমিয়ে পড়া
- শ্বাসকষ্ট বা দ্রুত শ্বাস নেওয়া
- প্রস্রাব অনেক কমে যাওয়া, হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসা
যা করবেন, যা করবেন না
জ্বর হলে বিশ্রাম নিন, প্রচুর পানি, স্যালাইন, ডাবের পানি ও ফলের রস খান। জ্বরের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শে প্যারাসিটামল খাওয়া যায়। কিন্তু অ্যাসপিরিন বা আইবুপ্রোফেনজাতীয় ব্যথানাশক নিজে থেকে খাবেন না; এতে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ে।
প্রতিরোধই সবচেয়ে ভালো উপায়। বাড়ির আশপাশে ফুলের টব, টায়ার, ডাবের খোসায় জমে থাকা পানি নিয়মিত ফেলে দিন, দিনের বেলাতেও মশারি বা মশা নিরোধক ব্যবহার করুন।
এই প্রতিবেদন সচেতনতার জন্য; চিকিৎসার প্রয়োজনে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।